চাঁদাবাজ ও মাদকের শীর্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক রিপন।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অপকর্মের শীর্ষে রয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো; রিপন সরকার।
রিপন নিয়ন্ত্রণ করেন সিদ্ধিরগঞ্জের কিশোর গ্যাংদের, মাদক ব্যবসা, সরকারি জায়গা দখল করে চাঁদাবাজি, মহাসড়কের পাশের ফুটপাত ও হকারদের থেকে দৈনিক চাঁদা আদায়, অস্ত্র দেখিয়ে ভয়, দেশী অস্ত্র নিয়ে ঘাট দখল।
এসব চাঁদাবাজি ,মাদক ব্যবসা ও অস্ত্র দেখিয়ে ভয় প্রদর্শন করে মাসে প্রায় কয়েক লাখ টাকা চাঁদাবাজি করে রিপন।
রিপন এসব অপকর্মে করে নারায়ণগঞ্জ-০৩ আসনের এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের নাম ভাঙ্গিয়ে এবং ছবি বিক্রি করে। তবে এবিষয়ে মান্নানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি রিপনকে চেনেন না বলে জানায়।
সিদ্ধিরগঞ্জে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক কয়েল ফ্যাক্টরির মালিক বলেন, ঈদ সামগ্রিক বিতরনের জন্য রিপন আমার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা চাঁদা চায়, প্রথমে আমি তা না দিতে চাইলে এমপি মান্নানের কথা বলে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রিপন সরকারকে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেনি।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, রিপন তো এক সময় আমার সাথে ঘুরতো। মাদক সেবন ও কিশোর গ্যাং লিডার সে। তার চরিত্র যখন আমি জানতে পারি তখন তাকে আমি আমার কাছ থেকে সরিয়ে দেই।
তিনি আরও বলেন রিপনের নামে প্রচুর চাঁদাবাজির অভিযোগ সহ কিশোর গ্যাং লালন পালন, মাদক ক্রয় বিক্রি, আবার মাদক সেবনও করে তাই এলাকাবাসীও তাকে দেখতে পারে না।
এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, আমার নামে কেউ চাঁদাবাজি করলে পুলিশে দিবেন। রিপন নামে আমি কাউকে চিনিনা। যদি আমার সাথে ছবি দেখিয়ে কেউ চাঁদাবাজি করে তাহলে তাকে বেধে পুলিশে দিবেন।
বিশেষ প্রতিনিধি।। সিদ্ধিরগঞ্জ।। নারায়ণগঞ্জ। 








