ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তদন্ত না করে কাউকে অহেতুক হয়রানি বা গ্রেফতার করবেনা পুলিশ -এস,পি প্রতু্্যষ কুমার।-

  • আপডেট সময় : ১০:১৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৩২৪ জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:তদন্ত না করে কাউকেই অহেতুক হয়রানি বা গ্রেফতার
করবে না পুলিশ–এসপি প্রত্যুষ কুমার

নারায়ণগঞ্জ জেলার নবাগত পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার মাদকের ব্যপারে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনারা যদি কোথাও কোন প্রমান পান যে আমার পুলিশের কেউ মাদক কারবারিকে কোন ধরনের সহায়তা বা মাদকের সাথে জড়িত তাহলে আমাকে প্রমান সহ তথ্য দিবেন। আপনারা সটিক প্রমান দিলে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।
আপনারা বলছেন সাংবাদিক ভাইয়েদের নামে প্রতিহিংসার কারনে একটি মহল হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। আসলে যে কেউ বাদি হয়ে মামলা করতেই পারে। মামলা হওয়ার মানে এই না যে তার জেল-হাজত হয়ে যাচ্ছে। অথবা সে অভিযুক্ত হয়ে যাচ্ছে। মামলাটা হলো প্রথমিক পর্যায়। এরপর আমরা শতভাগ নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করবো। তারপর যদি তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে সে অভিযুক্ত হবে।
ঘঠনার সাথে জড়িত হওয়ার সত্যতা না পাওয়া গেলে তাকে অভিযোগ থেকে বাদ দেওয়া হবে। তদন্ত না করে কাউকে অহেতুক গ্রেফতার বা কোন ধরনের হয়রানি করবে না পুলিশ।

ট্যাগ :

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগ নেতা বাবু ও মোতালেব আটক।

তদন্ত না করে কাউকে অহেতুক হয়রানি বা গ্রেফতার করবেনা পুলিশ -এস,পি প্রতু্্যষ কুমার।-

আপডেট সময় : ১০:১৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:তদন্ত না করে কাউকেই অহেতুক হয়রানি বা গ্রেফতার
করবে না পুলিশ–এসপি প্রত্যুষ কুমার

নারায়ণগঞ্জ জেলার নবাগত পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার মাদকের ব্যপারে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনারা যদি কোথাও কোন প্রমান পান যে আমার পুলিশের কেউ মাদক কারবারিকে কোন ধরনের সহায়তা বা মাদকের সাথে জড়িত তাহলে আমাকে প্রমান সহ তথ্য দিবেন। আপনারা সটিক প্রমান দিলে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।
আপনারা বলছেন সাংবাদিক ভাইয়েদের নামে প্রতিহিংসার কারনে একটি মহল হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। আসলে যে কেউ বাদি হয়ে মামলা করতেই পারে। মামলা হওয়ার মানে এই না যে তার জেল-হাজত হয়ে যাচ্ছে। অথবা সে অভিযুক্ত হয়ে যাচ্ছে। মামলাটা হলো প্রথমিক পর্যায়। এরপর আমরা শতভাগ নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করবো। তারপর যদি তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে সে অভিযুক্ত হবে।
ঘঠনার সাথে জড়িত হওয়ার সত্যতা না পাওয়া গেলে তাকে অভিযোগ থেকে বাদ দেওয়া হবে। তদন্ত না করে কাউকে অহেতুক গ্রেফতার বা কোন ধরনের হয়রানি করবে না পুলিশ।