ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের দুই প্রকৌশলীর ঘুষ কেলেঙ্কারি।

  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪
  • ৩০৪ জন দেখেছে

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের দুই প্রকৌশলীর ঘুষ কেলেঙ্কারি।

জুন ২১, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:জেলা পরিষদের কর্মরত দুই প্রকৌশলী এক ঠিকাদারের কাছে থেকে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে ঘুষ গ্রহণকারী সে দুইজন প্রকৌশলী হলেন, জেলা পরিষদের বর্তমান উপসহকারী প্রকৌশলী কাঞ্চন কুমার পালিত এবং অপরজন বদলি হওয়া সাবেক সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল কুদ্দুস৷ জেলা পরিষদে সহকারী প্রকৌশলীর পদটি গত কয়েক মাস যাবৎ খালি থাকায় কাঞ্চন কুমার এ পদটিতেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন৷

মোবাইল ফোনে ধারণ সেই পাঁচ মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা পরিষদ কার্যালয়ে জহির নামে এক ব্যক্তি থেকে ঘুষের টাকা নিতে দর কষাকষি করছেন দুই প্রকৌশলী। তারা কাজ করে দেওয়ার জন্য দেড় লাখ টাকা দাবি করেন৷ জহির নামে ওই ঠিকাদার এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা দিতে রাজি হন৷ পরে জহির পকেট থেকে টাকা বের করে গুনে তারপর প্রকৌশলীদের হাতে দেন৷

ভিডিওতে প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের আলাপে শোনা যায়, এই এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা ভাগ করে নেবেন কাঞ্চন ও কুদ্দুস৷ আরও কিছু ঘুষের টাকা জেলা পরিষদের একাউন্ট অফিসার গোপাল বোসকেও দিতে হবে বলে ভিডিওতে বলতে শোনা যায় জহিরকে৷ ‘স্যারও পাবেন’ বলে আলাপচারিতায় উল্লেখ করা হয়৷ তবে এ স্যার কাকে সম্বোধন করা হয়েছে তার নাম বলতে শোনা যায়নি তাদের৷

 

জানা যায়, জেলা পরিষদের তালিকাভুক্ত ঠিকাদার মো. জহির৷ জেলা পরিষদের অর্থায়নের একটি কাজ পেতে ঘুষ প্রদানের এ ভিডিওটি ঈদুল আজহার কয়েকদিন আগের ঘটনার। তবে, বৃহস্পতিবার ভিডিওতে ভাইরাল হলে এ নিয়ে পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়৷ জহির নিজেই তার মোবাইলে এটি ধারণ করেছ।

ট্যাগ :

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের দুই প্রকৌশলীর ঘুষ কেলেঙ্কারি।

আপডেট সময় : ০২:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের দুই প্রকৌশলীর ঘুষ কেলেঙ্কারি।

জুন ২১, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:জেলা পরিষদের কর্মরত দুই প্রকৌশলী এক ঠিকাদারের কাছে থেকে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে ঘুষ গ্রহণকারী সে দুইজন প্রকৌশলী হলেন, জেলা পরিষদের বর্তমান উপসহকারী প্রকৌশলী কাঞ্চন কুমার পালিত এবং অপরজন বদলি হওয়া সাবেক সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল কুদ্দুস৷ জেলা পরিষদে সহকারী প্রকৌশলীর পদটি গত কয়েক মাস যাবৎ খালি থাকায় কাঞ্চন কুমার এ পদটিতেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন৷

মোবাইল ফোনে ধারণ সেই পাঁচ মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা পরিষদ কার্যালয়ে জহির নামে এক ব্যক্তি থেকে ঘুষের টাকা নিতে দর কষাকষি করছেন দুই প্রকৌশলী। তারা কাজ করে দেওয়ার জন্য দেড় লাখ টাকা দাবি করেন৷ জহির নামে ওই ঠিকাদার এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা দিতে রাজি হন৷ পরে জহির পকেট থেকে টাকা বের করে গুনে তারপর প্রকৌশলীদের হাতে দেন৷

ভিডিওতে প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের আলাপে শোনা যায়, এই এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা ভাগ করে নেবেন কাঞ্চন ও কুদ্দুস৷ আরও কিছু ঘুষের টাকা জেলা পরিষদের একাউন্ট অফিসার গোপাল বোসকেও দিতে হবে বলে ভিডিওতে বলতে শোনা যায় জহিরকে৷ ‘স্যারও পাবেন’ বলে আলাপচারিতায় উল্লেখ করা হয়৷ তবে এ স্যার কাকে সম্বোধন করা হয়েছে তার নাম বলতে শোনা যায়নি তাদের৷

 

জানা যায়, জেলা পরিষদের তালিকাভুক্ত ঠিকাদার মো. জহির৷ জেলা পরিষদের অর্থায়নের একটি কাজ পেতে ঘুষ প্রদানের এ ভিডিওটি ঈদুল আজহার কয়েকদিন আগের ঘটনার। তবে, বৃহস্পতিবার ভিডিওতে ভাইরাল হলে এ নিয়ে পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়৷ জহির নিজেই তার মোবাইলে এটি ধারণ করেছ।