- নিজস্ব প্রতিবেদক:এ বিষয়ে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো. মাসুম বলেন, ‘জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিনের মুখে এ রকম বক্তব্য আশা করা যায় না। গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি রীতিমতো একের পর এক মন্তব্য করে সাংবাদিকদের আক্রমণ করে যাচ্ছেন।’
ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, ‘গিয়াসউদ্দিন একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমরা তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি সাংবাদিকদের তার প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। আরও মামলা দেবেন বলে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে হুমকি দিয়ে আসছেন। বিএনপির কারও বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা নিউজ করলে তাদের মামলা দেবেন ও দেখে নেবেন বলে হুমকি দিচ্ছেন। এসব বক্তব্য দিয়ে তিনি গণমাধ্যমে কণ্ঠরোধ করতে চাইছেন। অতীতের মতো তিনি যদি সাংবাদিকদের ও নারায়ণগঞ্জে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন, তাহলে তিনি ভুলের মধ্যে আছেন। কারণ হুমকি-ধমকি দিয়ে গণমাধ্যমে কণ্ঠরোধ করা যায় না।’
বিষয়টি দুঃখজনক মন্তব্য করে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আরিফ আলম দিপু বলেন, ‘সাংবাদিকরা সবার সঙ্গে কাজ করবে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে এক দল ক্ষমতায় থাকবে, আরেক দল বিরোধী দলে থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। এতে সাংবাদিকের দোষ কোথায়।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনকে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।










