ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক চিহ্নিত সন্ত্রাসী ইকবাল হোসেন এর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কর্মী মিলনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর ও চাঁদাদাবি।

  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪
  • ৩৪৩ জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ১১নভেম্বর ২৪ ইং রাত ৮ ঘটিকায় সিদ্ধিরগঞ্জ কেন্দ্রীয় কবরস্থানের পাশে  আওয়ামী লীগের কর্মী মোঃ মিলন এর বাসভবন থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মিয়ার নেতৃত্বে তার বোন জামাই ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সন্ত্রাসী মোক্তার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য পলাশ, জহিরুল, জসিম, নবী, ও আরো ৫০/৬০ জন সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ কর্মী মিলন কে তার বাসা থেকে ধরে নিয়ে ইকবাল এর অফিসে রাতভর শারীরিক নির্যাতন করে  তার পরিবারের কাছে ১০লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করেন । বর্তমান মিলন প্রো এক্টিভ হসপিটালে ভর্তি আছেন ও মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় ৫ ইং আগস্ট এর পর থেকে ইকবাল তার সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান তার বোন জামাই মোক্তার কে দিয়ে বিভিন্ন মানুষের ঘরবাড়ি তে আগুন ধরিয়ে পুরিয়েছেন ,অন্যের জমি দখল, মারধর করে , চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছেন। এলাকাবাসী জানায় বিএনপি ক্ষমতায় না আসতেই ইকবাল এর বোন জামাই মোক্তার ২ নং ওয়ার্ডে যে সন্ত্রাসী বাহিনীর দ্বারা  নির্যাতন চালাচ্ছেন ,আর এই সন্ত্রাসী ও রাজাকারদের দোষররা সরকারের মনসদন পেলে পুরো সিদ্ধিরগঞ্জ কে তারা নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য হত্যার উৎসব শুরু করবেন।

ট্যাগ :

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

শামীম ওসমান সহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক চিহ্নিত সন্ত্রাসী ইকবাল হোসেন এর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কর্মী মিলনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর ও চাঁদাদাবি।

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ১১নভেম্বর ২৪ ইং রাত ৮ ঘটিকায় সিদ্ধিরগঞ্জ কেন্দ্রীয় কবরস্থানের পাশে  আওয়ামী লীগের কর্মী মোঃ মিলন এর বাসভবন থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মিয়ার নেতৃত্বে তার বোন জামাই ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সন্ত্রাসী মোক্তার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য পলাশ, জহিরুল, জসিম, নবী, ও আরো ৫০/৬০ জন সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ কর্মী মিলন কে তার বাসা থেকে ধরে নিয়ে ইকবাল এর অফিসে রাতভর শারীরিক নির্যাতন করে  তার পরিবারের কাছে ১০লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করেন । বর্তমান মিলন প্রো এক্টিভ হসপিটালে ভর্তি আছেন ও মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় ৫ ইং আগস্ট এর পর থেকে ইকবাল তার সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান তার বোন জামাই মোক্তার কে দিয়ে বিভিন্ন মানুষের ঘরবাড়ি তে আগুন ধরিয়ে পুরিয়েছেন ,অন্যের জমি দখল, মারধর করে , চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছেন। এলাকাবাসী জানায় বিএনপি ক্ষমতায় না আসতেই ইকবাল এর বোন জামাই মোক্তার ২ নং ওয়ার্ডে যে সন্ত্রাসী বাহিনীর দ্বারা  নির্যাতন চালাচ্ছেন ,আর এই সন্ত্রাসী ও রাজাকারদের দোষররা সরকারের মনসদন পেলে পুরো সিদ্ধিরগঞ্জ কে তারা নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য হত্যার উৎসব শুরু করবেন।