স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম এর ছেলে সীমান্ত কে হত্যা করার জন্য মারধর।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম এর ছেলে রাইসুল ইসলাম সীমান্ত কে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হত্যা করার উদ্দেশ্যে মারধর।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সভাপতি প্রার্থী  শফিকুল ইসলাম এর ছেলে রাইসুল ইসলাম সীমান্ত কে গত ১৪ ই ফ্রেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বিকাল ৫ ঘটিকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মৌচাক বাসস্ট্যান্ড থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল এর নেতৃত্বে পূর্ব পরিকল্পিত নাসিক ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ সহ আরও ২৫ জনের  সন্ত্রাসীর অস্ত্রসহ সজ্জিত হয়ে একটি দল আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর নেতা শফিকুল ইসলাম এর ছেলে রাইসুল ইসলাম সীমান্ত কে ধরে নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্জন  জায়গায় নিয়ে ধরালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মৃত্যু ভেবে ফেলে রেখে যায়।পরে রাত ১২ ঘটিকায় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।এ ব্যাপারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম বলেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল ও বিএনপির সন্ত্রাসীদের দ্বারা আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা সবসময়ই মৃত্যুর ভয়ে আতংকিত আছি।

যুবলীগ নেতা টাইগার ফারুকের ভাই মাদক ব্যবসায়ী জসিম এর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী কে মারধর এর অভিযোগ।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম এর ছেলে সীমান্ত কে হত্যা করার জন্য মারধর।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম এর ছেলে রাইসুল ইসলাম সীমান্ত কে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হত্যা করার উদ্দেশ্যে মারধর।

আপডেট সময় : ১২:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সভাপতি প্রার্থী  শফিকুল ইসলাম এর ছেলে রাইসুল ইসলাম সীমান্ত কে গত ১৪ ই ফ্রেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বিকাল ৫ ঘটিকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মৌচাক বাসস্ট্যান্ড থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল এর নেতৃত্বে পূর্ব পরিকল্পিত নাসিক ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ সহ আরও ২৫ জনের  সন্ত্রাসীর অস্ত্রসহ সজ্জিত হয়ে একটি দল আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর নেতা শফিকুল ইসলাম এর ছেলে রাইসুল ইসলাম সীমান্ত কে ধরে নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্জন  জায়গায় নিয়ে ধরালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মৃত্যু ভেবে ফেলে রেখে যায়।পরে রাত ১২ ঘটিকায় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।এ ব্যাপারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম বলেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল ও বিএনপির সন্ত্রাসীদের দ্বারা আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা সবসময়ই মৃত্যুর ভয়ে আতংকিত আছি।